• ১২ আষাঢ় ১৪৩৩, রবিবার ২৮ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bihar Assembly Election

দেশ

‘বিহারের ছেলেরা ডাক্তার হতে চায়, গুন্ডা নয়’— নির্বাচনী সভায় গর্জে উঠলেন মোদি

বিহারে দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে ফের জোরালো রাজনৈতিক পাল্টা আক্রমণ। জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তোপ দাগলেন রাষ্ট্রীয় জনতা দল তথা তেজস্বী যাদবকে। সাফ বার্তা, বিহারের শিশুরা এখন স্টার্ট-আপের স্বপ্ন দেখে, তারা আর গুন্ডারাজ চায় না।শনিবার বিহারের এক নির্বাচনী সভায় মোদি বলেন, আরজেডি আজ বিহারের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিষ খাওয়াচ্ছে। তারা চায় শিশুরা তোলাবাজ, দুষ্কৃতী হয়ে উঠুক। কিন্তু বিহারের ছেলেমেয়েরা এখন বিজ্ঞানী হতে চায়, চিকিৎসক হতে চায়, উদ্যোক্তা হতে চায় গুন্ডা নয়।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জঙ্গলরাজের সময়কার ভয়াবহতা বিহারের মানুষ ভুলে যায়নি। আজ যারা সেই সময়ের রাজনীতি ফিরিয়ে আনতে চাইছে, তারা নিজেদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করছে। মোদি দাবি করেন, তেজস্বী যাদবের নেতৃত্বে আরজেডি আবারও সেই জঙ্গলরাজ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে, যেখানে বন্দুক, তোলাবাজি আর দুর্নীতি ছিল নিত্যদিনের ঘটনা।তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে সাম্প্রতিক একটি ভাইরাল ভিডিওর প্রসঙ্গও। সেখানে দেখা গিয়েছিল, আরজেডির এক সভায় এক কিশোর মঞ্চে দাঁড়িয়ে বন্দুক আর তোলাবাজির কথা বলছে। মোদি সরাসরি সেই ভিডিওর ইঙ্গিত দিয়েই বলেন, শিশুদের মুখে এই ধরনের কথা আরজেডির সংস্কৃতি প্রকাশ করছে। বিহারের মা-বাবারা কি চান তাঁদের সন্তান এমন হোক? না কি চান, তাঁদের সন্তান দেশের গর্ব হয়ে উঠুক?বিহারের উন্নয়নের প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেন, আজকের বিহার আর লালুর আমলের বিহার নয়। আজ এখানে নতুন রাস্তা হচ্ছে, শিল্প আসছে, বিনিয়োগ বাড়ছে। এখানে কাট্টা নয়, কম্পিউটার তৈরি হচ্ছে। এখানে কুশাসন নয়, কর্মসংস্থান হচ্ছে।এর আগেও একাধিকবার বিহারে দাঁড়িয়ে আরজেডি ও কংগ্রেসকে একযোগে আক্রমণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। গত সপ্তাহে তিনি বলেছিলেন, বিহারে এখন দুজন যুবরাজ। একজন দুর্নীতির যুবরাজ, অন্যজন জঙ্গলরাজের যুবরাজ। আর এই দুই পরিবার মিলে বিহারকে আবার অন্ধকারে ঠেলে দিতে চায়।প্রধানমন্ত্রী এদিনও স্মরণ করিয়ে দেন সেই পুরনো পাঁচ ক-এর কথা লালু আমলে জঙ্গলরাজ মানে ছিল পাঁচ ক: কাট্টা, ক্রুরতা, কটুতা, কুশাসন আর করাপশন। এখন বিহারের মানুষ সেই সময় আর দেখতে চায় না। তারা উন্নয়ন চায়, সুরক্ষা চায়, শিক্ষা চায়।তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিজেপি শিবির দাবি করেছে, এটাই বাস্তব চিত্র বিহারের মানুষ লালু রাজের ভয়াবহতা ভুলতে পারেনি। অন্যদিকে আরজেডি শিবিরের পাল্টা দাবি, প্রধানমন্ত্রী উন্নয়ন নয়, ভয় দেখিয়ে ভোট চাইছেন। মানুষের সমস্যার কথা তিনি ভুলে গিয়েছেন।

নভেম্বর ০৮, ২০২৫
দেশ

"অপারেশন সিঁদুর ভুলতে পারেনি পাকিস্তান-কংগ্রেস", নতুন করে বিস্ফোরক মন্তব্য মোদির

বিহারের আরায়ায় রবিবার নির্বাচনী প্রচারে এসে কংগ্রেস ও আরজেডিকে একযোগে আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর বক্তব্যে বারবার উঠে এল জাতীয় নিরাপত্তা, কাশ্মীর, এবং অতীতের রাজনৈতিক সহিংসতার প্রসঙ্গ।মোদি বলেন, অপারেশন সিঁদুরের পর থেকে পাকিস্তান ও কংগ্রেসদুই পক্ষই এখনও ধাক্কা সামলাতে পারেনি। পাকিস্তানে বিস্ফোরণের সময় কংগ্রেসের রাজপরিবারর ঘুম নষ্ট হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর মন্তব্যআমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম সন্ত্রাসীদের ঘরে ঢুকে মারব। অপারেশন সিঁদুর সেই অঙ্গীকার পূরণ করেছে। সঙ্গে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপের কথাও স্মরণ করিয়ে দেন মোদি। বলেন, এটি তাঁর গ্যারান্টি ছিল এবং আজ তা বাস্তব।বিহার রাজনীতিতে মহাগঠবন্ধনের দিকে কটাক্ষ ছুঁড়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেস কখনওই তেজস্বী যাদবকে মুখ্যমন্ত্রী মুখ করতে চাইনি। কিন্তু আরজেডির চাপেই কংগ্রেসকে রাজি হতে হয়েছে। তাঁর ভাষায়আরজেডি বন্দুক ঠেকিয়ে কংগ্রেসকে সিএম প্রার্থী ঘোষণা করাতে বাধ্য করেছে।মোদি দাবি করেন, কংগ্রেস-আরজেডির মধ্যে গভীর বিরোধ আছে, এবং নির্বাচন শেষে তারা পরস্পরকে দোষারোপ করবে। তাই তাঁদের উপর আস্থা রাখা যায় না। মহাগঠবন্ধনের ইস্তেহারকে তিনি মিথ্যার আর প্রতারণার দলিল আখ্যা দেন। এনডিএর ঘোষণাপত্রকে বলেন সত্ ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন, যা বিহারের উন্নয়নের জন্য তৈরি।এদিন ১৯৮৪র শিখবিরোধী দাঙ্গার কথাও টেনে আনেন মোদি। তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেস আজও সেই সময়ের দোষীদের সম্মান দিচ্ছে। তিনি বলেনআরজেডির নাম জঙ্গলরাজের সঙ্গে জড়িত, আর কংগ্রেসের পরিচয় শিখ গণহত্যার সঙ্গে। বিহার ভোটমাঠে শেষ দফা প্রচারে তাই তীব্র হচ্ছে ভাষার লড়াই। একদিকে এনডিএর উন্নয়নের দাবি, অন্যদিকে পরিবর্তনের ডাকদুই পক্ষের জোর প্রচারের মধ্যেই প্রস্তুতি নিচ্ছে ভোটযুদ্ধের ময়দান।

নভেম্বর ০২, ২০২৫
দেশ

বিহারে মহাগটবন্ধনকে হারিয়ে ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন এনডিএ'র

সমস্ত এক্সিট পোলের হিসেবকে উলটে দিয়ে বিহারে ক্ষমতা ধরে রাখল বিজেপি - জেডিইউ জোট। এনডিএ জোট পেল ১২৫ টি আসন , মহাগটবন্ধন পেল ১১০ টি আসন। এছাড়াও মিম জিতেছে পাঁচটি আসন। অন্যান্যরা তিনটে আসনে জয়লাভ করেছে। বিজেপি জেডিইউয়ের থেকে বেশি আসনে জয়লাভ করেছে। বিজেপি পেয়েছে ৭২ টি আসন। জেডিইউ ৪২ টি আসনে জয়লাভ করেছে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী হবেন নীতিশ কুমারই। এমনই জানানো হয়েছে বিজেপির পক্ষ থেকে। বুধবার ভোর তিনটে নাগাদ বিহার নির্বাচনের পুরো ফল প্রকাশিত হয়। তারপর থেকে বিজেপি ও জেডিইউ কর্মীরা উৎসবে মেতে ওঠেন। এনডিএ সূত্রে জানা গিয়েছে , এই সপ্তাহেই শপথ অনুষ্ঠান হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইটে লেখেন , বিহারের প্রতিটি ভোটার স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, তাঁদের কাছে সবার আগে উন্নয়ন। বিহারে ১৫ বছর পরে আবারও এনডিএ-র সুশাসনের আশীর্বাদ মিলছে। স্পষ্ট হচ্ছে বিহারের স্বপ্ন আর প্রত্যাশাগুলি ৷ বিহার গোটা বিশ্বকে গণতন্ত্রের প্রথম পাঠ শিখিয়েছে । আজ বিহার বিশ্বকে আবার বলেছে কীভাবে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা যায় । বিহারের রেকর্ড সংখ্যক দরিদ্র, বঞ্চিত এবং মহিলারা ভোটও দিয়েছেন এবং উন্নয়নের জন্য তাঁদের মত দিয়েছেন। অন্যদিকে , কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এদিন টুইটে লেখেন, বিহারের প্রতিটি প্রান্ত জাতপাতের রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করেছে ৷ গ্রহণ করেছে এনডিএ-র উন্নয়নের রাজনীতিকে। এটি বিহারের প্রত্যেক মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার জয়। এটি প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং নীতীশ কুমারের নেতৃত্বে জোড়া উন্নয়নের জয় । আমি এই জয়ের জন্য প্রত্যেক বিজেপি কর্মীকে অভিনন্দন জানাতে চাই। আরও পড়ুন ঃ বিহার বিধানসভা নির্বাচনে মহাগটবন্ধনকে হারিয়ে জয়ের পথে এনডিএ অন্যদিকে , বিহার বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ৭০ টি আসনে মাত্র ২০ টি আসনে জয়লাভ করেছে। ৭৫ টি আসনে জয় ছিনিয়ে নিয়ে একক বৃহত্তম দল হয়েছে আরজেডি। বামেরআ ২৯ টি আসনে প্রার্থী দিয়ে ১৬ টি আসনে জয়লাভ করেছে। কিন্তু কংগ্রেসের খারাপ ফলের জেরে বিজেপিকে হারিয়ে মহাজোটের জয় অধরাই থেকে গেল। অনেক আশা জাগিয়েও ট্র্যাজিক হিরো হিসেবে রয়ে গেলেন তেজস্বী যাদব। অন্যদিকে এলজেপি নেতা চিরাগ পাসোয়ান লেখেন , বিহারের মানুষ প্রধানমন্ত্রীর উপর ফের ভরসা রেখেছে। প্রত্যেক প্রার্থী নিজেদের মতো করে নির্বাচনে দারুণ লড়াই করেছেন । দলের ভোট বেড়েছে । প্রত্যেক জেলায় দল শক্তি বাড়িয়েছে যা ভবিষ্যতে কাজে আসবে।

নভেম্বর ১১, ২০২০

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে বড় বিস্ফোরণ! ক্ষোভে ফেটে পড়ে সরাসরি ফিফাকে কাঠগড়ায় তুলল ইরান

বিশ্বকাপে টানা তিনটি ম্যাচ ড্র করার পর অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড়িয়ে ইরান। মাঠের ফলাফলের পাশাপাশি এবার ফিফার বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগ তুলেছে দলটি। অধিনায়ক মেহদি তারেমি এবং কোচ আমির ঘালেনোইর দাবি, আয়োজনের বিভিন্ন সমস্যার কারণে শুরু থেকেই ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে তাঁদের। সেই পরিস্থিতির প্রভাব দলের পারফরম্যান্সেও পড়েছে বলে অভিযোগ।গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মিশরের বিরুদ্ধে এক-এক গোলে ড্র করার পর ড্রেসিংরুমে একটি আবেগঘন বার্তা লিখে রেখে যায় ইরান দল। সেই বার্তায় তারা জানায়, তাদের কাছে ফুটবল শুধু জয়-পরাজয়ের খেলা নয়, সম্মান এবং চরিত্রেরও পরীক্ষা। বার্তায় আরও বলা হয়, পয়েন্ট জেতা সম্ভব, কিন্তু সম্মান অর্জন করা যায় না। স্বচ্ছতা ও মর্যাদা নিয়েই ইতিহাসের সামনে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চায় তারা। পাশাপাশি সিয়াটলের আতিথেয়তা এবং সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানানো হয়।এটি বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বার ড্রেসিংরুমে বার্তা রেখে যাওয়ার ঘটনা। এর আগেও নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচের পর একই ধরনের বার্তা লিখেছিল ইরান দল।ম্যাচ শেষে অধিনায়ক মেহদি তারেমি বলেন, এই বিশ্বকাপ তাঁদের কাছে অত্যন্ত হতাশাজনক অভিজ্ঞতা। তাঁর অভিযোগ, শুরু থেকেই বিভিন্ন সমস্যার কথা জানানো হলেও ফিফার পক্ষ থেকে কোনও কার্যকর সমাধান করা হয়নি। এমনকি ফিফার সভাপতি প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।ইরানের অভিযোগ, দলের বেশ কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক কর্মী ভিসা না পাওয়ায় প্রতিযোগিতার সময় দলের সঙ্গে থাকতে পারেননি। এর ফলে ফুটবলারদের যাতায়াত, অনুশীলন এবং শারীরিক পুনরুদ্ধারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে সমস্যা তৈরি হয়। তারেমির দাবি, একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় এমন পরিস্থিতি কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, যদি কোনও দলকে বিদায় দিতেই হয়, তা মাঠের খেলায় হোক, আয়োজনের সমস্যার কারণে নয়।একই সুরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কোচ আমির ঘালেনোইও। তাঁর অভিযোগ, প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়নি। যদি দলকে আরও আগে আয়োজক দেশে পৌঁছতে দেওয়া হত, তাহলে ফুটবলাররা শারীরিক ও মানসিকভাবে অনেক ভালো অবস্থায় থাকতেন। ভবিষ্যতে কোনও দলের সঙ্গে এমন পরিস্থিতি যেন না হয়, সেই আবেদনও জানিয়েছেন তিনি।গ্রুপ পর্ব শেষে ইরানের পরের পর্বে ওঠা এখন অন্য ম্যাচের ফলাফলের উপর নির্ভর করছে। তবে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি ফিফার বিরুদ্ধে তাদের অভিযোগও বিশ্ব ফুটবলে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

জুন ২৭, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ হাসপাতালে ভর্তি বিজেপি বিধায়ক! অস্ত্রোপচারের পর কী জানালেন পাপিয়া অধিকারী?

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন টালিগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী। শনিবার তাঁকে বাঙুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী একই দিন তাঁর ডান হাতের একটি আঙুলে অস্ত্রোপচার করা হয়। বিধায়কের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাতায় হাসপাতালের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তাঁর শারীরিক অবস্থার খবর জানানো হয়েছে।পাপিয়া অধিকারী জানান, তাঁর ডান হাতের মধ্যমা আঙুলে সংক্রমণ হয়েছিল। সংক্রমণ দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় আঙুল ফুলে যায় এবং তীব্র যন্ত্রণার কারণে হাত নাড়াতেও অসুবিধা হচ্ছিল। চিকিৎসকেরা তাঁকে জানান, দ্রুত অস্ত্রোপচার না করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারত। সেই কারণেই আর দেরি না করে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রায় চল্লিশ মিনিট ধরে অস্ত্রোপচার চলে।অস্ত্রোপচারের পর নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে পাপিয়া অধিকারী বলেন, তিনি এখন অনেকটাই ভালো আছেন। একই সঙ্গে বাঙুর হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবারও প্রশংসা করেন তিনি। বিধায়কের কথায়, টালিগঞ্জের বাসিন্দা হওয়ায় এই সরকারি হাসপাতাল তাঁর বাড়ির সবচেয়ে কাছের। এখানকার চিকিৎসক, নার্স এবং হাসপাতালের কর্মীরা অত্যন্ত যত্ন নিয়ে তাঁর চিকিৎসা করেছেন। অস্ত্রোপচার কক্ষের পরিষেবা এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাও তাঁর ভালো লেগেছে বলে জানান তিনি।পাপিয়া অধিকারীর অসুস্থতার খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন দলের সহকর্মী এবং অনুগামীরা। আপাতত চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণেই রয়েছেন তিনি। তবে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলেই জানা গিয়েছে।

জুন ২৭, ২০২৬
দেশ

হঠাৎ কেঁপে উঠল দিল্লি-সহ উত্তর ভারত! আতঙ্কে রাস্তায় মানুষ, কী জানাল ভূকম্প বিশেষজ্ঞরা?

শনিবার সন্ধ্যায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আফগানিস্তান। সেই কম্পনের প্রভাব অনুভূত হয়েছে দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর-সহ উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকায়। পাশাপাশি পাকিস্তান, চিন, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান এবং তুর্কমেনিস্তানেও মাটি কেঁপে ওঠে। হঠাৎ কম্পন অনুভূত হওয়ায় বহু মানুষ আতঙ্কে ঘর ও অফিস ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কোথাও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর মেলেনি।জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যা প্রায় সাতটা চার মিনিটে আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ পর্বতাঞ্চলে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ছয় দশমিক দুই। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল উত্তর-পূর্ব আফগানিস্তানের কালাফগান এলাকার কাছাকাছি, ভূপৃষ্ঠের প্রায় দুইশো পনেরো কিলোমিটার গভীরে। গভীরতা বেশি হওয়ায় কম্পন বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে অনুভূত হয়েছে।দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর এবং উত্তর ভারতের বিভিন্ন এলাকায় কয়েক সেকেন্ড ধরে কম্পন টের পান বাসিন্দারা। অনেকেই নিরাপত্তার জন্য বাড়ি ও অফিস থেকে দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসেন। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর জানানো হয়নি।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, একই দিনে পাকিস্তানেও সকালে পাঁচ দশমিক পাঁচ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়েছিল। পরে সন্ধ্যায় আবারও সেখানে কম্পন অনুভূত হয়। এ ছাড়া শনিবার সকালে হিমাচল প্রদেশের চাম্বা এলাকায় তিন দশমিক দুই মাত্রার একটি মৃদু ভূমিকম্প হয়। তবে সেই ঘটনাতেও কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।এক দিনের মধ্যে পরপর একাধিক ভূমিকম্পের ঘটনায় দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন দেশে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন এবং পরবর্তী আপডেটের অপেক্ষায় রয়েছেন।

জুন ২৭, ২০২৬
কলকাতা

রিষড়ায় স্ত্রীর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই স্বামীর মর্মান্তিক পরিণতি! সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

হুগলির রিষড়ায় এক গৃহবধূর রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কলকাতার বেলগাছিয়া মেট্রো স্টেশনে এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, মৃত ব্যক্তি ওই মহিলার স্বামী। এই দুই ঘটনার মধ্যে কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।শনিবার সকালে রিষড়ার তিন নম্বর গভর্নমেন্ট কলোনির একটি ভাড়া বাড়ি থেকে বত্রিশ বছরের মণিকা ওঝার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। তাঁর গলায় গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনার সময় পাশের বিছানায় ঘুমিয়ে ছিল দম্পতির ছয় বছরের মেয়ে। দীর্ঘ সময় দরজা না খোলায় প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। পরে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকতেই তাঁরা মহিলার নিথর দেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।প্রতিবেশীদের দাবি, শুক্রবার রাতে ওই বাড়ি থেকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বচসার শব্দ শোনা গিয়েছিল। জানা গিয়েছে, কর্মসূত্রে দিল্লিতে থাকা দীপঙ্কর সরকার কয়েক দিন আগে বাড়ি ফিরেছিলেন। ঘটনার পর থেকে তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। ফলে তদন্তকারীরা তাঁর সন্ধান শুরু করেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান করা হচ্ছে, মহিলার মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তকারীরা।এরই মধ্যে শনিবার দুপুরে বেলগাছিয়া মেট্রো স্টেশনে এক ব্যক্তি মেট্রো লাইনে ঝাঁপ দিয়ে মারা যান। পরে তাঁর পরিচয় জানতে গিয়ে পুলিশ নিশ্চিত হয়, তিনি রিষড়ার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দীপঙ্কর সরকার। এরপর থেকেই দুই ঘটনার যোগসূত্র খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে।তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, পারিবারিক অশান্তি এই ঘটনার নেপথ্যে থাকতে পারে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্ত্রীর সম্পর্ক নিয়ে দীপঙ্করের মনে সন্দেহ ছিল বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে এই তথ্যের স্বাধীনভাবে সত্যতা এখনও নিশ্চিত হয়নি। পুলিশ সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিশেষ করে দম্পতির ছয় বছরের শিশুকন্যার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রতিবেশীরা। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই ঘটনাকে ঘিরে একাধিক প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরাই রয়ে গিয়েছে।

জুন ২৭, ২০২৬
রাজ্য

২০২১ ভোট-পরবর্তী হিংসা মামলায় গ্রেফতার আউশগ্রাম-২ তৃণমূল সভাপতি ও ছেলে, আদালতে মিলল শর্তসাপেক্ষ জামিন

পাঁচ বছর আগে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর সংঘটিত বলে অভিযোগ ওঠা ভোট-পরবর্তী হিংসার মামলায় নতুন মোড়। বিজেপি কর্মীর বাড়ি, দোকানে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট এবং পরিবারের সদস্যদের উপর নির্যাতনের অভিযোগে পূর্ব বর্ধমান জেলার আউশগ্রাম-২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শেখ আব্দুল লালন এবং তাঁর পুত্র শেখ আফজল রহমান ওরফে সঞ্জুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে গ্রেফতারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আদালত তাঁদের শর্তসাপেক্ষ জামিন মঞ্জুর করায় আইনি মহলে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার ভোর রাতে কলকাতার গড়ফা থানা এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত বাবা-ছেলেকে গ্রেফতার করে আউশগ্রাম থানার অধীন ছোড়া অনুসন্ধান কেন্দ্রের পুলিশ। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই তাঁরা এলাকা ছেড়ে কলকাতায় আত্মগোপন করে ছিলেন। তাঁদের বাড়ি আউশগ্রাম থানার গেঁড়াই গ্রামে।এই মামলার সূত্রপাত হয় চলতি বছরের ১৯ মে, যখন আউশগ্রাম থানার ভুঁয়েড়া গ্রামের এক বিজেপি কর্মী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, ২০২১ সালের ৩ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর সকাল প্রায় ১১টা নাগাদ শেখ আব্দুল লালনের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি লাঠি, রডসহ বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে তাঁর বাড়িতে হামলা চালায়। বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়, আসবাবপত্র ও অন্যান্য সামগ্রী নষ্ট করা হয়। পরিবারের মহিলারা বাধা দিতে গেলে তাঁদের সঙ্গে অশালীন আচরণ ও শ্লীলতাহানির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।শুধু বাড়িই নয়, অভিযোগকারীর বাড়ির পাশেই থাকা কাপড়ের দোকানেও হামলা চালানো হয় বলে দাবি করা হয়েছে। দোকান ভাঙচুরের পাশাপাশি প্রায় সাত লক্ষ টাকার মালপত্র লুট করে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার পর প্রাণভয়ে দীর্ঘদিন এলাকা ছেড়ে থাকতে বাধ্য হন অভিযোগকারী। তাঁর আরও দাবি, পরবর্তী সময়েও অভিযুক্তরা এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ বজায় রেখেছিল এবং তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।তদন্তে নেমে পুলিশ ইতিমধ্যেই গত ২৫ মে একই মামলায় ভুঁয়েড়া গ্রামের বাসিন্দা গৌতম আঁকুড়ে নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিল। তদন্তে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে শেখ আব্দুল লালন ও তাঁর ছেলেকে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, শেখ আব্দুল লালনের বিরুদ্ধে ২০২৫ ও ২০২৬ সালে আউশগ্রাম থানায় মোট পাঁচটি পৃথক মামলা নথিভুক্ত রয়েছে। গ্রেফতারের আশঙ্কায় তিনি ও তাঁর ছেলে পূর্ব বর্ধমান জেলা ও দায়রা আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। তবে বিচারক অভিযোগের গুরুত্ব, ভোট-পরবর্তী হিংসা, বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি লুট এবং এলাকায় সন্ত্রাসের অভিযোগের কথা উল্লেখ করে সেই আবেদন খারিজ করে দেন।শুক্রবার ধৃতদের বর্ধমানের মুখ্য বিচারবিভাগীয় বিচারকের (সিজেএম) আদালতে পেশ করা হয়। তদন্তের স্বার্থে ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানায় তদন্তকারী সংস্থা। অন্যদিকে, ধৃতদের আইনজীবী দাবি করেন, গ্রেফতারের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের নির্ধারিত নির্দেশিকা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি এবং পূর্বে কোনও নোটিসও দেওয়া হয়নি। সেই যুক্তিতে জামিনের আবেদন করা হয়।উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত পুলিশি হেফাজতের আবেদন খারিজ করে দেয়। একই সঙ্গে সপ্তাহে একদিন তদন্তকারী অফিসারের কাছে হাজিরা, সাক্ষীদের প্রভাবিত না করা এবং মামলার প্রমাণ নষ্ট না করার শর্তে শেখ আব্দুল লালন ও তাঁর পুত্রকে জামিন মঞ্জুর করা হয়।এদিকে, একই দিনে আউশগ্রামের আরও একটি মামলায় শেখ আব্দুল লালনকে গ্রেফতার দেখানোর জন্য আদালতের কাছে আবেদন করেন তদন্তকারী অফিসার। কিন্তু সংশ্লিষ্ট মামলার সম্পূর্ণ নথিপত্র আদালতে উপস্থিত না থাকায় ভারপ্রাপ্ত সিজেএম আবেদনটি গ্রহণ না করে নিয়মিত আদালতে উপস্থাপনের নির্দেশ দেন। ফলে ওই মামলায় তাঁকে গ্রেফতার দেখানো সম্ভব হয়নি এবং জামিনে মুক্তি পান তিনি।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনজীবীদের একাংশের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। তাঁদের বক্তব্য, সাম্প্রতিক সময়ে একই ধরনের গুরুতর অপরাধের অভিযোগে বহু ক্ষেত্রে সিজেএম আদালত পুলিশি হেফাজত মঞ্জুর করেছে। তাছাড়া জেলা আদালত ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করেছিল। সেই পরিস্থিতিতে পুলিশি হেফাজতের আবেদন নাকচ করে জামিন মঞ্জুর হওয়ায় বিচারিক সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।যদিও আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, মামলার তদন্ত অব্যাহত থাকবে এবং অভিযুক্তদের নির্ধারিত সমস্ত শর্ত মেনে চলতে হবে। তদন্তের অগ্রগতির উপর নির্ভর করেই পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

জুন ২৭, ২০২৬
কলকাতা

তারাতলা কাণ্ডে ফিরহাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, এবার সরাসরি গ্রেফতারির দাবি কুণালের! বেঁধে দিলেন সময়সীমাও

তারাতলায় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ষোলো। এখনও জোরকদমে উদ্ধারকাজ চলছে। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল এবং এর জন্য কার গাফিলতি দায়ী, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। এই ঘটনার জেরে কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। ইতিমধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। আর সেই আবহেই ফিরহাদ হাকিমকে নিয়ে সরব হলেন বিধায়ক কুণাল ঘোষ।এর আগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, তারাতলার সংশ্লিষ্ট বহনের নির্মাণ পরিকল্পনার অনুমোদনের নথিতে ফিরহাদ হাকিমের স্বাক্ষর রয়েছে। সেই প্রসঙ্গ টেনে কুণাল ঘোষ প্রশ্ন তোলেন, যদি তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তি থাকে, তাহলে এখনও কেন তাঁকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না।কুণাল ঘোষ বলেন, মুখ্যমন্ত্রী নিজেই নথি দেখিয়ে ফিরহাদ হাকিমের স্বাক্ষরের কথা বলেছিলেন। তাই যদি তিনি সত্যিই দোষী হন, তাহলে আইন অনুযায়ী তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত। তিনি দাবি করেন, শনিবার বিকেল পাঁচটার মধ্যেই এই পদক্ষেপ করা হোক। পাশাপাশি তিনি বলেন, ওই দিন বিকেলে একটি রাজনৈতিক বৈঠক রয়েছে। সেখানে যদি ফিরহাদ হাকিম কাউন্সিলরদের নিয়ে উপস্থিত হন, তাহলে ধরে নিতে হবে তাঁকে গ্রেফতার করার কোনও সদিচ্ছা নেই।তিনি আরও দাবি করেন, যদি ফিরহাদ হাকিমকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হয়, তাহলে তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। অন্যদিকে, যদি তাঁর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাহলে বোঝা যাবে সরকার সত্যিই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে।এদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে কুণাল ঘোষের এই মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করা হয়েছে। দলের দাবি, কোনও রাজনৈতিক নেতার পক্ষে গ্রেফতারের সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার অধিকার নেই।শনিবার সকালে তারাতলা বিপর্যয়ের ঘটনায় প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম, কাউন্সিলর আনোয়ার খান এবং কাউন্সিলর সামস ইকবালের বিরুদ্ধে তারাতলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভারতীয় জনতা মজদুর সেলের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২৭, ২০২৬
রাজ্য

‘স্যাটা ভাঙা মার’ মন্তব্যেই বিপদ! হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, নতুন বিতর্কে তোলপাড়

আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। স্যাটা ভাঙা মার মন্তব্যের জেরে শনিবার সন্ধ্যায় বহরমপুর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিজেপি যুব মোর্চা এবং সামাজিক সংগঠন রাম সীতা সেবা মন্দিরের যৌথ উদ্যোগে এই অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, একজন জনপ্রতিনিধির মুখে এমন মন্তব্য সমাজে উত্তেজনা ছড়াতে পারে এবং আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে।শুক্রবার রেজিনগরে একটি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, বিজেপি সরকার গঠন করেছে, তাতে তাঁর কোনও আপত্তি নেই। তবে তাঁর অভিযোগ, মুর্শিদাবাদে পরাজিত হওয়ার পরেও কয়েক জন বিজেপি নেতা অযথা দাপট দেখাচ্ছেন। এরপরই তিনি বলেন, যদি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়, তাহলে তিনি মুসলিমদের একজোট করে স্যাটা ভাঙা মার দেবেন। এমনকি তিনি আরও দাবি করেন, সেদিন তিনি মুখ্যমন্ত্রী বা পুলিশ সুপারের কথাও ভাববেন না। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়।হুমায়ুন কবির অতীতেও একাধিক বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য শিরোনামে উঠে এসেছেন। তৃণমূল কংগ্রেসে থাকার সময় তাঁর একাধিক মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে সমালোচনা হয়েছিল। পরে বিতর্কের জেরে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর তিনি আম জনতা উন্নয়ন পার্টি গঠন করে বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নওদা এবং রেজিনগর দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হন তিনি। পরে রেজিনগর আসনটি ছেড়ে দেন তাঁর ছেলের জন্য।এবারের বিতর্কিত মন্তব্যের পর বিজেপি যুব মোর্চা এবং অভিযোগকারী সংগঠনগুলির দাবি, একজন বিধায়কের এমন বক্তব্য কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাই তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়ে বহরমপুর থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে ফের রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। এখন এই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২৭, ২০২৬
রাজ্য

যাঁর নামে কাঁপত বারাবনি, আজ কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরাল পুলিশ! সামনে যা হল, তাতে চাঞ্চল্য

একসময় বারাবনির প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন অসিত সিং। সেই অসিত সিংকে শনিবার খালি পায়ে, হাফপ্যান্ট পরা এবং কোমরে দড়ি বাঁধা অবস্থায় পুলিশের পাহারায় দেখে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে গৌরান্ডি এলাকায়। ধৃত নেতাকে সামনে পেতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় মানুষ। শুরু হয় বিক্ষোভ, ওঠে কঠোর শাস্তির দাবি। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী সভায় হামলার মামলার তদন্তে ধৃত অসিত সিং, তাঁর ভাই বিশ্বজিৎ সিং এবং সহযোগী আকবর আলমকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যায় পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছিল বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। সেই সময়ই বহু মানুষ সেখানে জড়ো হন। ধৃতদের দেখে বিক্ষোভ শুরু হয়। অনেকে চোর চোর স্লোগান দিতে থাকেন। অভিযোগ, ধৃতদের লক্ষ্য করে চটি ছোড়া হয়। উত্তেজিত কয়েক জন পুলিশের নিরাপত্তা বলয় ভেঙে ধৃতদের মারার চেষ্টাও করেন। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই তদন্তের কাজ শেষ করে।এই মামলার সূত্রপাত দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময়। অভিযোগ, গৌরান্ডিতে শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী সভা ভণ্ডুল করতে হামলা চালানো হয়েছিল। সেই ঘটনায় তাঁর গাড়ি ভাঙচুর, বিজেপি কর্মীদের মারধর এবং মোটরবাইকে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পর গোটা এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল। সেই মামলার তদন্তেই এদিন ধৃতদের ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঝাড়খণ্ড সীমান্তের ডুবুরডিহি চেকপোস্ট থেকে অসিত সিং এবং তাঁর ভাই বিশ্বজিৎ সিংকে গ্রেফতার করা হয়। একই সময় ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর থেকে ধরা হয় আকবর আলমকে। এর আগে অসিত সিংয়ের আর এক ভাই পিন্টু সিংও গ্রেফতার হয়েছিলেন। ফলে এই মামলায় অভিযুক্ত মূল চক্রের প্রায় সকলেই এখন পুলিশের হেফাজতে।স্থানীয়দের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বারাবনি এলাকায় অসিত সিং এবং তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে দাদাগিরি, অত্যাচার ও নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ছিল। অতীতেও বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে হামলার ঘটনায় তাঁর নাম উঠে এসেছে। এক সময় তাঁর প্রভাব এতটাই ছিল যে, বারাবনি থানার মধ্যেই জন্মদিন পালন নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই ঘটনার জেরে তৎকালীন থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিককেও শাস্তির মুখে পড়তে হয়।এবার একসময়ের সেই প্রভাবশালী নেতাকে পুলিশের হেফাজতে দেখে অনেকেই স্বস্তির কথা জানিয়েছেন। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে মামলার আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আনার চেষ্টা চলছে।

জুন ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal